HSC বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর

5/5 - (1 vote)

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর অনেক শিক্ষার্থী বন্ধুরা অনলাইনে খুজে থাকেন ৷ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময় প্রয়োজন হতে পারে ৷ শিক্ষার্থীদের পড়ার সুবিধার্থে অনলাইনে ছড়িয়ে থাকা বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর সংগ্রহ করে এখানে দেওয়া হয়েছে ৷ আপনার যদি বিন্ধুমাত্র উপকারে এসে থাকে অন্য শিক্ষার্থী বন্ধুদের পড়ার জন্য শেয়ার করতে ভুলবেন না ৷ Bivishoner Proti Meghnad Onudhabon Question and Answer.

আরও পড়ুন, মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার MCQ, অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর, জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর এবং শৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৷

HSC বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর

HSC বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১ঃ ‘প্রফুল্ল কমলে কীটবাস’ বলতে কি বুঝানো হয়েছে?

‘প্রফুল্ল কমলে কীটবাস’ বলতে মনোহর লঙ্কাপুরীতে শত্রু লক্ষ্মণের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ ও অবস্থানকে বোঝানো হয়েছে। যুদ্ধযাত্রার আগে মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে যজ্ঞ করতে গেলে লক্ষ্মণ তাকে নিরস্ত্র অবস্থায় হত্যা করতে উদ্যত হয়। মেঘনাদ এও বুঝতে পারে যে, তার চাচা বিভীষণই লক্ষ্মণকে যজ্ঞাগারে প্রবেশে সহযোগিতা করেছেন। তাই সে চাচাকে উদ্দেশ করে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে যে, কীটতুল্য লক্ষ্মণ কীভাবে লঙ্কাপুরীতে প্রবেশ করল। তার মতে, লক্ষ্মণের লঙ্কাপুরীতে অনুপ্রবেশ প্রফুল্ল কাননে কীটের বসবাসের সঙ্গেই তুলনীয়।

প্রশ্ন-২ঃ “তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে” বুঝিয়ে বলো ৷

বিভীষণ নিজেকে রাঘবদাস পরিচয় দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আত্মমর্যাদাবোধসম্পন্ন মেঘনাদ প্রশ্নোক্ত উক্তিটির অবতারণা করে। রাম-রাবণের যুদ্ধে আদর্শিক দিক বিবেচনায় বীর মেঘনাদ স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষাবলম্বন করলেও তারই চাচা বিভীষণ ধর্ম ও ন্যায়ের দোহাই দিয়ে শত্রু রামের পক্ষ নেন। এ নিয়ে চাচা-ভাতিজার সংলাপের একপর্যায়ে বিভীষণ নিজেকে রামের দাস বলে পরিচয় দেন। পিতৃতুল্য চাচার মুখে এমন কথা শুনে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন মেঘনাদের লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে করে। প্রশ্নোক্ত উত্তিটিতে এ বিষয়টিই প্রকাশিত হয়েছে।

প্রশ্ন-৩ঃ ‘হায় তাত, উচিত কি তব এ কাজ?’- কে, কেন এ উক্তিটি করেছিল?

শত্রু লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে লঙ্কায় নিয়ে আসা প্রসঙ্গে বিভীষণকে উদ্দেশ করে মেঘনাদ উক্তিটি করেছে।

‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতার মেঘনাদ একজন দেশপ্রেমী যোদ্ধা। রাম-রাবণের যুদ্ধে তাই সে স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষ অবলম্বন করে। কিন্তু ধর্ম ও ন্যায়ের অজুহাত দিয়ে তারই চাচা বিভীষণ রাম-লক্ষ্মণের পক্ষ নেন এবং তাকে হত্যা করার জন্য লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে নিয়ে আসেন। বিভীষণের এহেন কাজের জন্য মেঘনাদ খেদের সঙ্গে প্রশ্নের উক্তিটি করেছে।

প্রশ্ন-৪ঃ “লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে” দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণের অনাকাঙ্ক্ষিত অনুপ্রবেশ লঙ্কার ইতিহাসে যে কলঙ্ক লেপন করেছে, যুদ্ধজয়ের মধ্য দিয়ে মেঘনাদ তা মোচন করতে চায়।

বিভীষণের সহায়তায় লক্ষ্মণ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে নিরস্ত্র মেঘনাদকে যুদ্ধে আহ্বান করে। এমন পরিস্থিতিতে স্বদেশের পরাজয়ের আশঙ্কায় দেশপ্রেমী মেঘনাদ বিচলিত হয়ে বিভীষণের কাছে যুদ্ধসাজ পরিধানের সুযোগ প্রার্থনা করে। পাশাপাশি শত্রু লক্ষ্মণকে যুদ্ধে পরাজিত ও হত্যা করে লঙ্কার কলঙ্ক মোচন করতে চায় সে। প্রশ্নোক্ত উক্তিটির দ্বারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মেঘনাদের এ অভিপ্রায়ের কথাই বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-৪ঃ ‘চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?’- পঙ্ক্তটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

অধমকে মর্যাদাপূর্ণ আসন দেওয়ার কারণে ধিক্কার জানানো হয়েছে উল্লিখিত উক্তিটির মাধ্যমে।

মেঘনাদকে হত্যার জন্য লক্ষ্মণকে রাজপ্রাসাদে প্রবেশের সুযোগ করে দিলে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ এ উক্তি করে। ‘চণ্ডাল’ বলতে নিকৃষ্ট বা অধমকে বোঝানো হয়েছে, যার স্থান রাজগৃহে হতে পারে না। মেঘনাদের মতে লক্ষ্মণ সেই নিকৃষ্টজন, যাকে মর্যাদার আসন দিয়ে জঘন্য অপরাধ করেছেন বিভীষণ। চন্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?’- উক্তিটির মাধ্যমে মূলত বিভীষণের প্রতি মেঘনাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

প্রশ্ন-৫ঃ গুণবান পরজন অপেক্ষা নির্গুণ স্বজন শ্রেয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় মেঘনাদের জবানিতে প্রকাশ পেয়েছে গুণবান পরজনের চেয়ে নির্গুণ স্বজনই শ্রেয়, কেননা পরজন গুণবান হলেও সর্বদা পরই থেকে যায়।

স্বজন চিরকালই আপন। বিপদে-আপদে স্বজনরা যদি গুণহীনও হয় তবু তারা আপনজনদের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে কুণ্ঠিত হয় না। অপরদিকে পরজন অনেক গুণে গুণান্বিত হলেও আপনজনের মতো অতটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপকার করে না বরং ক্ষেত্রবিশেষে তার মাধ্যমে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তাই মেঘনাদ বিশ্বাস করে, গুণবান পরজন অপেক্ষা নির্গুণ স্বজন শ্রেয়।

প্রশ্ন-৬ঃ রাম-রাবণের যুদ্ধে বিভীষণ রামের পক্ষ নেন কেন?

বিভীষণ সত্য ও ন্যায়ের পথ অবলম্বন করার জন্য রামের পক্ষ নেন। রাক্ষসরাজ রাবণ তাঁর পাপকর্মের কারণে লঙ্কার সর্বনাশ ডেকে এনেছেন। তাই বিভীষণ দেবতাদের অনুগ্রহপ্রাপ্ত ন্যায়নিষ্ঠ রামকে প্রভু হিসেবে মেনে নেন। বস্তুত, ভাই রাবণের অন্যায়কে মেনে নিতে না পেরে ন্যায়ধর্মের পথ অবলম্বন করার জন্যই তিনি ধার্মিক রামের আনুগত্য স্বীকার করেন।

প্রশ্ন-৭ঃ ‘গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি’- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

প্রশ্নোক্ত পঙক্তিটির মাধ্যমে সঙ্গদোষে বিভীষণের অনৈতিক পথ অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে।

মেঘনাদ বিভীষণকে তাঁর বংশগৌরব এবং দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষাবলম্বন করার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু স্বাজাত্যবোধ, জ্ঞাতিত্ব-ভ্রাতৃত্ব সবকিছু বিসর্জন দিয়ে বিভীষণ শত্রু রামের পক্ষ নেন এবং নিজেকে রাঘবদাস হিসেবে পরিচয় দেন। পিতৃব্য বিভীষণের এমন আচরণ মেঘনাদকে বিস্মিত করে। তার মনে হয়, নিশ্চয় রামের সাহচর্যেই বিভীষণ এমন অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছেন। প্রশ্নোক্ত পঙক্তিটিতে এ বিষয়টিই ক্ষোভের সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন-৮ঃ ‘কী দেখি ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

‘কী দেখি ভরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?’- উক্তিটি দ্বারা মেঘনাদের বীরত্বের কথা বোঝানো হয়েছে।

লঙ্কার শ্রেষ্ঠ বীর মেঘনাদকে যজ্ঞরত অবস্থায় লক্ষ্মণ যুদ্ধে আহ্বান করে। অস্ত্রহীন মেঘনাদ যজ্ঞাগারের প্রবেশদ্বারে বিশ্বাসঘাতক বিভীষণকে দেখতে পেয়ে তাঁকে ভর্ৎসনা করে। অস্ত্র নেওয়ার জন্য তাঁকে দ্বার ছাড়তে বলে। বিভীষণ পথ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে ‘মেঘনাদ বিভীষণকে স্মরণ করিয়ে দেয় দেব-দৈত্য-নরের যুদ্ধে তার বিজয়লাভের কথা। একথার মাধ্যমে সে বুঝিয়ে দেয় যে, লক্ষ্মণের মতো দুর্বল মানবকে ভয় পাওয়ার মতো কাপুরুষ সে নয়।

প্রশ্ন-৯ঃ বিভীষণ নিজেকে রাঘবের দাস বলেছেন কেন?

বিভীষণ রামের নৈতিকতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তাঁর আদর্শে নিজেকে সমর্পণ করেছেন বলে তিনি নিজেকে রাঘবের দাস বলেছেন। রাক্ষসরাজ রাবণ বিভীষণের বড়ো ভাই। রাবণ রামের সাথে যে অন্যায় করেছিলেন বিভীষণ তা সমর্থন করতে পারেননি। রাবণের যে পাপে আজ সমগ্র লঙ্কাপুরী কলঙ্কিত, সে পাপে বিভীষণ নিজে ডুবতে চান না। এজন্য রামের নৈতিকতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তিনি তাঁর আজ্ঞাবহ হয়েছেন। তাই রাবণের ভাই হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে তিনি রাঘবের দাস মনে করেন। কাকে রাবনি বলা হয়েছে?

প্রশ্ন-১০ঃ ‘নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি’- পঙক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

‘নাহি গঞ্জি তোমা, গুরুজন তুমি’- পঙক্তিতে চাচা বিভীষণের প্রতি মেঘনাদের পরম শ্রদ্ধার প্রকাশ ঘটেছে।

বিভীষণ আপন জাতির সঙ্গে প্রতারণা করে রামের পক্ষ অবলম্বন করেন এবং অন্যায়ভাবে লক্ষ্মণকে যজ্ঞাগারে প্রবেশে সহায়তা করেন। এসব কারণে মেঘনাদ পিতৃব্যের ওপর অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে তাঁকে ভর্ৎসনা করতে গিয়েও শ্রদ্ধাবোধকে বিসর্জন দেয় না। তাই বিভীষণকে বলে যে, তোমায় গঞ্জনা দেওয়া আমার সাজে না, যেহেতু তুমি গুরুজন। বস্তুত এর মধ্য দিয়ে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদের বিনয় ও শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন-১১ঃ ‘নন্দন-কাননে ভ্রমে দুরাচার দৈত্য’- চরণটি ব্যাখ্যা করো।

প্রশ্নোক্ত চরণটির মাধ্যমে লক্ষ্মণের রাক্ষসপুরীতে অনুপ্রবেশের প্রতি মেঘনাদের সীমাহীন ঘৃণা প্রকাশ পেয়েছে। লক্ষ্মণ বীর হলেও মেঘনাদের দৃষ্টিতে কাপুরুষ, দেবতা হয়েও রাক্ষসজাতির তুলনায় হীন। এ কারণে বিভীষণের সহায়তায় রাক্ষসপুরীতে তাঁর উপস্থিতি দেখে মেঘনাদ অত্যন্ত বিস্মিত ও ক্রুদ্ধ হয়। মনোহর লঙ্কাপুরীতে লক্ষ্মণের এই অনাকাঙ্ক্ষিত আগমন তার কাছে স্বর্গীয় কাননে দুরাচার দৈত্য প্রবেশ করার মতোই অস্বাভাবিক মনে হয়। প্রশ্নোক্ত, চরণটিতে এ কথাই প্রকাশ পেয়েছে।

প্রশ্ন-১২ঃ বিভীষণের কথা শুনে মেঘনাদের মরে যাওয়ার ইচ্ছা হলো কেন?

ব্যক্তিমর্যাদা ভুলে বিভীষণ নিজেকে রামের দাস হিসেবে অভিহিত করায় লজ্জায়, ক্ষোভে মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছা হলো।. মেঘনাদের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝে বিভীষণ নিজেকে ‘রাঘব-দাস’ অর্থাৎ রামের দাস হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি আরও বলেন রামের বিপক্ষে কোনো কাজ তিনি করতে পারবেন না। এ কথা শুনে বিস্মিত হয় মেঘনাদ। সে ভাবে কীভাবে নিজের বংশ-মর্যাদা ভুলে বিভীষণ এমন কথা বললেন। আর তা থেকে লজ্জায়, ক্ষোভে মেঘনাদের মরে যেতে ইচ্ছা হলো।

প্রশ্ন-১৩ঃ ‘লক্ষ্মণকে দুর্বল মানব বলে অভিহিত করা হয়েছে কেন?

অস্ত্রহীন মেঘনাদের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ করার কারণে লক্ষ্মণকে দুর্বল মানব হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

রাক্ষসপুরীর পরাক্রমশালী বীর মেঘনাদের বক্তব্য অনুযায়ী লক্ষ্মণ অতি দুর্বলচিত্তের মানব। কেননা, সে চোরের মতো লুকিয়ে যজ্ঞাগারে প্রবেশ করে অস্ত্রহীন মেঘনাদকে যুদ্ধে আহ্বান জানিয়েছে। অথচ বীরের ধর্ম হলো অস্ত্রহীন কারও সাথে সংগ্রামে লিপ্ত না হওয়া। লক্ষ্মণের কাপুরুষোচিত বৈশিষ্ট্যের কারণেই তাকে দুর্বল মানব হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

প্রশ্ন-১৪ঃ ‘নহি দোষী আমি, বৎস, বৃথা ভর্ৎস মোরে তুমি!’- উত্তিটিতে বিভীষণ কী বোঝাতে চেয়েছেন?

‘নহি দোষী আমি, বৎস, বৃথা ভর্ৎস মোরে তুমি’- এ উক্তি দ্বারা বিভীষণ নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চেয়েছেন।

বিভীষণ মনে করেন, রাবণের নিজের দোষে লঙ্কাপুরীতে অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে। রামের সাথে তিনি যে অন্যায় করেছেন তারই ফলাফল এই যুদ্ধ। এক্ষেত্রে রামের পক্ষ অবলম্বন করে তিনি কেবল ধর্মের পথ অবলম্বন করেছেন। প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা বিভীষণ এ কথাটিই বোঝাতে চেয়েছেন।

প্রশ্ন-১৫ঃ বাসবত্রাস মেঘনাদ রুষ্ট হলো কেন?

নিজেকে রক্ষা করতে বিভীষণ রামের চরণে আশ্রয় নিয়েছেন শুনে বাসবত্রাস মেঘনাদ রুষ্ট হলো। বিভীষণের লক্ষণের মতে, কর্মফলের কারণে রাজা রাবণ নিজেও ডুবছেন লঙ্কাকেও ডোবাচ্ছেন। নিজেকে রক্ষা করার জন্য তাই বিভীষণ রামের চরণে আশ্রয় নিয়েছেন। আর বিভীষণের এমন কাপুরুষোচিত বক্তব্য শুনেই রুষ্ট হয় বাসবত্রাস মেঘনাদ।

প্রশ্ন-১৬ঃ রামচন্দ্র কর্তৃক লঙ্কা আক্রান্ত হয়েছিল কেন? ব্যাখ্যা করো।

সীতাকে রাবণ অপহরণ করেছিলেন বলেই রামচন্দ্র কর্তৃক লঙ্কা আক্রান্ত হয়েছিল।

লঙ্কার রাজা রাবণ ছিলেন বীর ও অহংকারী শাসক। অযোধ্যার রাজা রামের সাথে দ্বৈরথের কারণে তিনি তাঁর স্ত্রী সীতাকে অপহরণ করেন। সীতাকে উদ্ধার করার জন্যেই রামচন্দ্র কর্তৃক লঙ্কা আক্রান্ত হয়েছিল।

শেষ কথাঃ প্রিয় ভিউয়ার, আপনারা যারা অনলাইনে বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ কবিতার অনুধাবন প্রশ্ন ও উত্তর খুজছিলেন, আশা করি তাদের উপকারে আসবে ৷ এরকম এইসএসসি শিক্ষার্থীরা অন্যসকল বাংলা কবিতা ও গল্পের MCQ, জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর, অনুধাবনমূলক প্রশ্ন উত্তর এবং সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পেতে টপবারে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুণ অথবা সার্চ করুণ ৷ ধন্যবাদ সবাইকে ৷

যোগাযোগ করুণ

প্রিয় ভিউয়ার, এখানে উপস্থাপিত সকল তথ্য উপাত্ত ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহিত । উল্লেখিত কোন তথ্য ভুল হলে বা কারো কোনো অভিযোগ থাকলে অথবা যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের জিমেলে([email protected]) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।