সপ্তম/৭ম শ্রেণীর গণিত গাইড PDF | Class 7 Math Solution Pdf

5/5 - (1 vote)

Class 7 Math Solution Pdf: আসসালামু আলাইকুম প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ অথবা যারা সপ্তম/৭ম শ্রেণীর গণিত গাইড PDF জন্য আমাদের সাইটিতে প্রবেশ করেছে সবার প্রতি রইলো ভালোবাসা ৷ আপনারা অনেকেই সপ্তম শ্রেণীর গণিত গাইড বই পিডিএফ অনলাইনে খোজ করে থাকেন ৷ মাঝে মাঝে গণিত গাইড অনেকের প্রয়োজন হতে পারে ৷ তাই আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বইতির পিডিএফ লিংক দেওয়া হয়েছে ৷ প্রয়োজন হলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন ৷

সপ্তম/৭ম শ্রেণীর গণিত গাইড PDF | Class 7 Math Solution Pdf

গণিত বা ‘Mathematics’ শব্দটি গ্রিক ‘Mathematics’ শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ “শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ”। গণিত হলো বিজ্ঞানের ভাষা; মানবজীবনে গণিতের গুরুত্ব অপরিহার্য। ব্যক্তিগত কার্যকলাপ ছাড়াও জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গবেষণা প্রভৃতি কাজে গণিতের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণিত হলো স্থান, সংখ্যা এবং পরিমাপ সম্পর্কিত বিজ্ঞান।

গণিত আনন্দের বিষয়। গণিত একধরনের মেধা বা বুদ্ধির খেলা। জীবনে চলার পথে গণিত অপরিহার্য। গণিত ছাড়া জীবন চিন্তা করা যায় না। গণিতে দূর্বলতা থাকলে কিংবা গণিত শেখার সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করলে ছাত্র-ছাত্রীরা গণিতের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই গণিত শেখার জন্য জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি ও মৌলিক বিষয়বস্তু। গণিত শেখার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আগ্রহ ও প্রচেষ্টা।

সপ্তম/৭ম শ্রেণীর গণিত গাইড PDF Download

প্রথম অধ্যায় : মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা

বর্গ ও বর্গমূল: কোনো সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে যে গুণফল পাওয়া যায় তা ঐ সংখ্যার বর্গ এবং সংখ্যাটি গুণফলের বর্গমূল।
যেমন- ৪ = ২ x ২ = ২ = ৪; এখানে ২ এর বর্গ ৪ এবং ৪ এর কামূল ২।

পূর্ণবর্গ সংখ্যা: একটি স্বাভাবিক সংখ্যা m কে যদি অন্য একটি স্বাভাবিক। সংখ্যা n এর বর্গ (n²) আকারে প্রকাশ করা যায় তবে এখানে m কাসংখ্যা। m সংখ্যাগুলোকে পূর্ণবর্গ সংখ্যা বলা হয়। পূর্ণবর্গ সংখ্যার বর্গমূল একটি স্বাভাবিক সংখ্যা। যেমন- ২১ এর বর্গ ২১১ বা ৪৪১ একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা এবং ৪৪১ এর বর্গমূল ২১ একটি স্বাভাবিক সংখ্যা।

মৌলিক গুণনীয়কের সাহায্যে বর্গমূল নির্ণয়: মৌলিক গুণনীয়কের সাহায্যে কোনো পূর্ণবর্গ সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করার সময়-
১. প্রথমে প্রদত্ত সংখ্যাটিকে মৌলিক গুণনীয়কে বিশ্লেষণ করতে হবে। যেমন- ১৬ = ২×২×২×২
২. প্রতি জোড়া একই গুণনীয়ককে একসাথে পাশাপাশি লিখতে হবে। যেমন- ১৬ = (২×২) × (২× ২)
৩. প্রতি জোড়া এক জাতীয় গুণনীয়কের পরিবর্তে একটি গুণনীয়ক নিয়ে লিখতে হবে। ২ × ২
৪. প্রাপ্ত গুণনীয়কগুলোর ধারাবাহিক গুণফল হবে নির্ণেয় বর্গমূল। যেমন- √১৬ = ২ x ২ = ৪।

বর্গসংখ্যা ও বর্গমূল সম্বন্ধে উল্লেখ্য বিষয়:
১. কোনো সংখ্যার প্রতি জোড়া মৌলিক উৎপাদকের জন্য ঐ সংখ্যার বর্গমূলে একটি করে গুণনীয়ক নিতে হয়।
২. যে সংখ্যার সর্ব ডানদিকের অঙ্ক অর্থাৎ একক স্থানীয় অঙ্ক ২ বা ৩ বা ৭ বা ৮ তা পূর্ণবর্গ নয়। ৩. যে সংখ্যার শেষে বিজোড় সংখ্যক শূন্য থাকে, ঐ সংখ্যা পূর্ণবর্গ নয়।
৪. একক স্থানীয় অঙ্ক ১ বা ৪ বা ৫ বা ৬ বা ৯ হলে, ঐ সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে পারে। যেমন- ৮১, ৬৪, ২৫, ৩৬, ৪৯ ইত্যাদি বর্গসংখ্যা।
৫. আবার সংখ্যার ডানদিকে জোড়সংখ্যক শূন্য থাকলে ঐ সংখ্যা পূর্ণবর্গ হতে পারে। যেমন- ১০০, ৪৯০০ ইত্যাদি বর্গসংখ্যা। ৬. কোনো সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক থেকে শুরু করে বামদিকে এক অঙ্ক পরপর যতটি ফোঁটা দেওয়া যায়, তার বর্গমূলের সংখ্যাটি তত অঙ্ক বিশিষ্ট।

বর্গসংখ্যার ধর্ম:
১. একক স্থানীয় অঙ্ক ১ বা ৯ হলে, এর বর্গসংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক ১ হবে।
২. সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক ৩ বা ৭ হলে এর কাসংখ্যার একক স্থানে ৯ হবে।
৩. একক স্থানীয় অঙ্ক ৪ বা ৬ হলে, এর বর্গসংখ্যার একক স্থানে ৬ থাকবে।

দশমিক ভগ্নাংশ: দশমিক ভগ্নাংশের দুইটি অংশ থাকে। দশমিক বিন্দুর বামদিকের অংশকে অখন্ড বা পূর্ণ অংশ এবং দশমিক বিন্দুর ডানপাশের অংশকে দশমিক অংশ বলা হয়।

পঞ্চম অধ্যায়ঃ বীজগণিতীয় সূত্রাবলি ও প্রয়োগ

বীজগণিতীয় সূত্রাবলিঃ

  • সূত্র-১। (a + b)² = a² + 2ab + b²
  • সূত্র-২। (a – b)² = a²-2ab+b²
  • সূত্র-৩। (a + b) (a – b) = a²-b²
  • সূত্র-৪। (x + a) (x + b) = x² + (a + b)x + ab
  • অনুসিদ্ধান্ত-১। a² + b²= (a + b)²-2ab
  • অনুসিদ্ধান্ত-২। a² + b²= (a – b)² + 2ab
  • অনুসিদ্ধান্ত-৩। (a + b)²= (a – b)² + 4ab
  • অনুসিদ্ধান্ত-৪। (a – b)²= (a + b)² – 4ab
  • অনুসিদ্ধান্ত-৫। (a+b)² + (a – b)² = 2(a² + b²)
  • অনুসিদ্ধান্ত-৬। (a + b)² – (a – b)² = 4ab

বীজগণিতীয় রাশির উৎপাদক:
কোনো বীজগণিতীয় রাশি দুই বা ততোধিক রাশির গুণফল হলে, শেষোক্ত রাশিগুলোর প্রত্যেকটিকে প্রথম রাশির উৎপাদক বা গুণনীয়ক বলা হয়। যেমন-6=2×3.

গ.সা.গু. নির্ণয়ের নিয়ম:
(ক) পাটিগণিতের নিয়মে প্রদত্ত রাশিগুলোর সার্বখ্যক সহগের গ.সা.গু. নির্ণয় করতে হবে।
(খ) বীজগণিতীয় রাশিগুলোর মৌলিক উৎপাদক বের করতে হবে।
(গ) সাংখ্যিক সহগের গ.সা.গু. এবং প্রদত্ত রাশিগুলোর বীজগণিতীয় সাধারণ। মৌলিক উৎপাদকগুলোর ধারাবাহিক গুণফল হচ্ছে নির্ণেয় গ.সা.গু.।

ল.সা.গু. নির্ণয়ের নিয়ম:
ল.সা.গু. নির্ণয় করার জন্য প্রথমে সাংখ্যিক সহগগুলোর ল.সা.গু. বের করতে হবে। এরপর উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাত বের করতে হবে। অতঃপর উভয়ের গুণফলই হবে প্রদত্ত রাশিগুলোর ল.সা.গু.।

Class 7 Math Solution PDF Download

৭ম শ্রেণীর গণিত গাইড বই PDF মাঝে মাঝে অনেকের প্রয়োজন হতে পারে ৷ আপনারা অনেকেই বইটির পিডিএফ খুজে থাকেন ৷ আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে বইটির পিডিএফ অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে দেওয়া হয়েছে ৷ বইটি প্রয়োজন হলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন ৷

ডাউনলোড করুণঃ- Math Guide For Class 7 Pdf(পিডিএফ সংগৃহীত)